বিলম্বের অবকাশ নেই।

হুটহাট করে স্ল্যাব ভেঙ্গে যেতেই পারে। সরকার-প্রশাসনের দিকে হাঁ করে তাকিয়ে অপেক্ষা করা চলে না কেননা তাঁদের সমাধান সময়সাপেক্ষ। কারণ এই সমস্যার সমাধানে তাঁদেরকে নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুনের ভেতর দিয়ে যেতে হয় বলে দেরি হয়ে যায়। তাছাড়া এখানে একটা বাড়তি ঝামেলা হলো ইলেকট্রিক পিলারের কারণে স্ল্যাবটা চারকোনা না যে অন্য কোথাও থেকে এনে বসিয়ে দেওয়া গেল। সব কথার শেষ কথা, সময়ের অপচয়ে যে জিনিস ভাঙ্গবে সেটা আমাদেরই কারও-না-কারও শরীরের অংশ!

খরচ এখানে বড় সমস্যা না- একজন রাজমিস্ত্রির প্রয়োজন। বাপ্পি নামের একজন সহৃদয় মানুষ এগিয়ে আসেন যিনি সারা দিনের অমানুষিক খাটুনির পরও রাতে এই কাজটা করে দিয়েছেন। তাঁকে ধন্যবাদ দিয়ে খাটো করার কোনও মানে হয় না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *